Human Mind Power

জীবন প্রশিক্ষণ থেকে নেওয়া

Taken From Life Training

নিম্নলিখিত শিরোনামটি ( কোভিড ১৯ এর সর্বাঙ্গিন আপ টু ডেট তথ্য )কোন বিচক্ষণ ব্যক্তি দ্বারা কোন মতেই সহজে উপেক্ষিত হতে পারে না আর হওয়া উচিতও নয়।
কোভিড ১৯ এর সর্বাঙ্গিন আপ টু ডে তথ্য, আর্টিক্যাল রচনাটির সর্ব শেষে দেওয়া হয়েছে। এটির নিয়ত আপডেটিংও দরকার।
এ ছাড়াও সাম্প্রতিক অন্তরিক্ষ প্রযুক্তি বিজ্ঞানের
পরম এক ভারতীয় সাফল্যের পর নিম্নলিখিত অংশটি মুল্যায়নে এসেছে।

কোন একটি দেশের এ ধরনের অভিযানের সাফল্য প্রমান করে যে দেশটির প্রযুক্তি এবং কারিগরী জ্ঞানের সব শাখাগুলোতেই চূড়ান্ত দক্ষতা অর্জন করেছে। সেকারণে এই ধরণের সাফল্য শুধুমাত্র মহাকাশ ভিত্তিক ব্যবসাকেই সম্প্রসারণ করবে না, বরং অন্যান্য প্রযুক্তি ভিত্তিক শিল্প ব্যবসারও প্রসারণ ঘটাবে। এটা বলতে গেলে একটা দেশের জন্য তার সার্বিক সক্ষমতার একটা সনদপত্র যা পৃথিবীর মাত্র চারটা দেশের আছে।

যাবতীয় কঠিন ও সংকটময় কর্মের সুসম্পাদনে যা দরকার তা হ’ল সংগঠিত, সুপ্রশিক্ষিত মনুষ্য মন। মনোক্ষমতার মধ্যে থাকা উচিত উপযুক্ত অনুধাবন প্রবণতাও। এ ছাড়াও উপযুক্ত মনক্ষমতার ফর্দে আর যে সম্ভাবনাপূর্ণ উপাদানগুলো থাকে সেগুলো হ’ল স্মরন শক্তি, কল্পনা শক্তি, জল্পনা শক্তি, বিশ্লেষণ শক্তি, গননা শক্তি, প্রতিরক্ষণ শক্তি এবং ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্বাভাস দেওয়ার শক্তি। আর সামর্থ থাকা উচিত প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর উপযুক্ত প্রয়োগ বিদ্যাতেও। এই সমস্ত মনোবিজ্ঞতা দরকার সর্ব সমস্যা নিরাময়ে, দরকার জীবনের উত্তম ধারণাগুলোর সুসংরক্ষনেও।
যেকোন সংকটময় দূর্ঘটনার বিশ্লেষণে এবং চূড়ান্তে সেই দূর্ঘটনা ও বিপদ মুক্তি থেকেই হয় বিপদ মুক্ত জীবন ও নিরাপদ পৃথিবী।
উপযুক্ত মনোক্ষমতা দিয়ে আর যা হয় তা হ’ল তাৎপর্যের অনুধাবন। তাৎপর্য্য কোথায় নেই ? আছে রাজনীতিতে, অর্থনীতিতে, সমাজবিজ্ঞানে, মানুষের দেহ মন সম্পর্কীয় তথ্যে ও তত্ত্বের ( যেমন মন অধ্যয়ন, মন শুদ্ধিকরণ /ধ্যান / যোগের ) নানান অনুসন্ধানে। মনুষ্য রোগের বুনিয়াদী তথ্যে ও রোগ উৎপন্নকারী জীবানুতে বা অন্যান্য আর সব কারণগুলোতেও যেমন পরিবেশে, জীবন ধারাতে, আধ্যাত্মিকতাতে, ধর্মে, গৃহ বিজ্ঞানে, গনিত শাস্ত্রে এবং আর সব বৈজ্ঞানিক কারণ বিশ্লেষণেও আছে মনোক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা। গবেষনা থেকে প্রাপ্ত হয়েছে ‘কোভিড ১৯’এর ভয়ংকর জীবানুর সংখ্যা বিস্তার সম্পর্কীয় ‘জিন বৈশিষ্ঠের পরিবর্তন তত্ত্ব বিষয়ক জ্ঞান’। পশু ভাইরাসের হঠাৎ পশু থেকে মানুষের মধ্যে রোগ বিস্তারের প্রবণতার কারণ নির্ধারনের ওপর আলোক সম্পাতের প্রয়োজনীয়তার কথা মনে হয়েছে। পশু থেকে মানুষে এরূপ জীবানু বিস্তারের প্রবণতা তো আগে ছিল না। আগের গতানুগতিকতা ভিত্তিক ‘পশু থেকে মানুষের মধ্যে জীবানু বিস্তারের সহজাত বাধাটি”র লঙ্ঘনের সম্ভাব্য বাখ্যা কি? আর জানা উচিত এটাও যে এই জীবানুগুলোর হঠাৎ এত দ্রূত বংশ বিস্তারের প্রবণতার ব্যাপারে যা কিনা গতানুগতিক গনিত পদ্ধতির কম হারে না হয়ে হঠাৎ জ্যামিতিক পদ্ধতির আরো বর্ধিত হারেই বা কেন ? ( যা কাগজে কলমে দেয় এক্সপোনেন্সিয়েল কার্ভ অর্থাৎ বর্ধিত হারের পুষ্টি রেখা )।

 

Three Different Main Types Of Curves In Covid 19 Pandemic
Three Different Main Types Of Curves In Covid 19 Pandemic

 

অফুরন্ত মানসিক শক্তি থেকেই আসে “তাৎপর্য্য” জিনিসটাকে ভালো ভাবে বুঝে নেওয়াকে। যেকোন তাৎপর্য্যকে বেশ করে বুঝলে ও অনুধাবন করলে কার্যকরী ফল হবে আরো উত্তম। গুরুত্ব দিতে হয় ‘কোভিড ১৯’ রোগের সামগ্রিক চিকিত্সা ব্যবস্থার ওপরে যেখানে বলা হয়েছে মানুষের মধ্যের দরকারী সামাজিক বিচ্ছিনতা, মনুষ্য মধ্যের নিরাপদ আন্তর্দুরত্ব রক্ষণা বেক্ষণ ক্ষমতা আর সাথের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার সাজসরঞ্জামের ( যেমন মুখ/নাকের আবরন, হাতের দস্তানা, স্যানিটাইজার ইত্যাদির ) ব্যবহারেও। এ সমস্ত উপদেশ প্রতিপালন যে কত বেশী মূল্যবান এবং এসবের প্রতিপালন না হলে রোগ প্রসারনের হার যে আরো কত বেশী বেড়ে যাবে ( জ্যামিতিক হারের ভাইরাস বৃ্দ্ধিতে ) তা সহজেই অনুধাবনে আসবে। এ থেকেই মনের মধ্যে আসবে খুঁটিনাটি ভাবে সতর্ক হওয়ার আরো বেশী প্রচেষ্টা। এই সবিশেষ ক্ষমতাগুলোও আসে ক্ষমতাশীল মন থেকেই।
উপোরক্ত আলোচনা ও বিষয় বর্ণনাতে প্রয়োজনীয় যে বিষয়গুলো স্থান পাইনি সেগুলো হ’ল-
আদর্শের বিষয়গুলো, যেমন বিচক্ষণতা, শুদ্ধ চেতনা এবং অতিরিক্ত উপলব্ধির ক্ষমতা ( গতানুগতিক রকম সকমগুলো ছাড়াও যেগুলো শুদ্ধ মন থেকে উৎপন্ন হয় এবং যেগুলো আধ্যাত্মিকতার উদাহরণে ইতি বাচক )। এগুলো ছাড়া ক্ষমতাশীল মন শুধুমাত্র পার্থিব ও বৈষয়িক ভাবেই ক্ষমতাশীল। তাই মনের মধ্যে আধ্যাত্মিক কারিস্মা সুলভ গুণগুলোকেও সাথে সাথে চাই। এগুলো ছাড়া মনটি সর্ব কল্যাণকামী না হয়ে সকলের জন্যই বিপদ সৃষ্টিকারী হতে পারে। “কোভিড ১৯” ব্যাধির প্রাদুর্ভাবের নৈরাশ্যজনক ঘটনা এবং সারা পৃথিবীরতে এরূপ ভয়ংকর ঘটনা আগে কোনদিন ঘটে নি। কাজে কাজেই সংকটময় বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়ে নিশ্চিত রূপে এর ‘গম্ভীর বিষয় বিশ্লেষণ’ অনেক বারই এবং অনেক জায়গা থেকেই হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন একটিই যা হ’ল নিশ্চিত রূপে এর কারণ কি ? এবং অদুর ভবিষ্যতে এ রূপ ঘটনা প্রতিরোধের কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ?
মানব নৈরাশ্য সৃষ্টিকারী এরূপ ভয়াবহ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জন উপদেশ সমূহের মধ্যে যেমন জন মানুষের মধ্যেকার নিরাপদ পার্থিব ( physical ) আন্তর্দুরত্ব, নিরাপদে রাখার বা থাকার নিমিত্তে ব্যবহৃত জন বিচ্ছিন্নতা এবং সর্ব সাধারনদের নিমিত্তে পরামর্শিত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষণকারী সাজ সরন্জাম, যেমন সর্ব মানুষের জন্য মাস্কের বা মুখোশের ব্যবহার, মানুষ মানুষের সামাজিক দুরীকরণ এবং জন সমাজকে সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মধ্যে এনে রোগ প্রসারনকে নিয়ন্ত্রনে আনা ইত্যাদি ক্ষমতাশীল মন দ্বারাই সম্ভব এবং এর অনুপস্থিতিতে রোগ বৃদ্ধির হার হবে জ্যামিতিক হারে। এই মনোক্ষমতাই রাখবে ‘কোভিড ১৯ প্রতিরক্ষার সতর্কতা’ কে নিখুঁত ভাবে প্রযুক্তির আওতার মধ্যে। দূ:খের বিষয় এমত অবস্থাতে ক্ষমতাশীল মনগুলো কিন্তু আরো বেশী সমালোচনার মধ্যে আসতে পারে, এবং তাঁরা হয়ে উঠ্তে পারে হঠকারীও, যা থেকে এক মানুষ অন্য মানুষের ওপর ক্ষতিকারক হতে পারে।
প্রায় সব ক্ষমতাশীল মনুষ্যমন মধ্যে হঠাৎ আসতে পারে ( তা সে সেবা গ্রহনকারী দলেরেই হোক্ বা সেবাদানকারী দলেরেই হোক্ না কেন ) অন্য মনুষ

মনুষ্য মনের প্রতি এক অশুভ ইচ্ছা আর তাদের নিজেদের ইতিবাচক মনের ব্যপারে প্রশংসা জানার অহেতুক আকাঙ্খা যা সত্যই ক্ষতিকারক বলে পরিগনিত হতে পারে।
কোভিড ব্যাধি প্রতিরোধকারী টিকা দানের ব্যবস্থাপনা ( vaccination ), নতুন টিকা আসতে সময় লাগলো।২০২০’র শেষ নাগাদ এর ব্যবস্থাও প্রস্তুত হয়ে গেল। বিজ্ঞান ও অর্থনৈতিক প্রতিপত্তি পাওয়া দেশগুলো ছাড়াও পার্থিব আর সব দেশগুলোতেও তাৎপর্য্যায়িক সংখ্যাতে টিকা দেওয়ার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ।
 
মহান মানব সম্পদের এরূপ ভয়াবহ ক্ষতির পর প্রশ্ন আসে, আর কি করা যেতে পারে ?  চরম প্রশ্ন এটাও যে এরূপ ভয়াবহ আর কোন ব্যাধি ? এবং এর চেয়েও ভয়াবহ  আরো কিছু রোগ কি আসতে পারে ?
“কোভিড ১৯ “ যত দিন না পুরো নিয়ন্ত্রণে আসে ততদিন এই বিষয়টির পর্যবেক্ষণ পাঠক্রমে নিয়ত জুড়ে থাকার ব্যবস্থাপনা অতি বাঞ্চনীয়। নীচের কয়েকটি বিষয়ের প্রতি এখানে বিশেষ ভাবে দৃষ্ট আকর্ষণ করা হচ্ছে।
* কোভিড ১৯’এর ‘R number’- এটি কোভিড ভাইরাস ব্যাধির পুনর বিস্তার ও পুনর আবির্ভাব চিহ্নকারী একটা ফ্যাক্টার। এটা দিয়ে এই বিশেষ মহামারিতে ব্যাধিটির বর্ধন বা সংকোচন প্রবণতা নির্ধারিত হয়। 
* R নম্বর 1 ( ১ ) হ’ল একটা ক্রুসিয়েল থ্রেসহোল্ড যা চিহ্নিত করে কোভিড ১৯ ‘ ভাইরাসের বিস্তার প্রবণতার পরিমাপকে। R নম্বর 1 ( ১ )’এর নিচে হওয়াটা আদর্শ, বা বড় জোর ১ (1), তার বেশী কোন ক্রমেই হওয়া উচিত নয়। ১ নম্বর সূচনা দেয় যে একটা রোগী শুধু আর একটা রোগী সৃষ্টি করতে পারে তাই R নম্বর ১ এর নিচে হওয়ার অর্থ নতুন রোগীর সম্ভাবনাহীনতা।
* উদাহরণ রূপে, রোগের বৃদ্ধি, রোগ নিয়ন্ত্রণ,  রোগ সংকোচন জনিত কার্ভের নমুনা- মুখ্য কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
* রোগ পরিবর্ধনের নতুন ঢেউয়ের  ( কোভিড ভাইরাসের নব মিউটিসন জনিত আরো বেশী ভয়ংকর প্রকারের
       বীজানু সৃষ্টি থেকে ) সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশী বিপদ 
         জনক, তা ভুলে গেলে চলবে না।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *