Human Mind Power

স্নায়বিক ও ভাষা ভিত্তিক অন্তরদৈহিক ব্যবস্থাপনা

Neurological and language based intraoperative management

সর্ব জীবের মধ্যে বিশেষত মনুষ্য জীবে এটি অতি সম্পুর্ণ ভাবে প্রকাশিত। ইঁশ্বর প্রদত্ত এই প্রাকৃতিক বৈশিষ্ঠকে জীব বিশেষ করে মানুষ যখন ঠিক ভাবে বুঝে নিতে পারে এবং পরে যখন এই প্রক্রিয়াটির সদ্ ব্যবহার করতে সমর্থ হয় তখন জগতের প্রায় সবকিছু রহস্যেরেই (সেটি মানুষের অন্তর্দেশেই হোক বা বহির্দেশেই হোক) অনুধাবন ক্ষমতা সহজ সাধ্য হয়। শুধু নিজের পক্ষে বুঝে নেওয়া নয় বরং অন্যদেরও যতটা সম্ভব সহজ ও সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে। ইহার উপযুক্ত প্রয়োগের ফলে মানুষ তার জীবন কর্মে ( তা ব্যক্তিগতই হোক বা সমষ্টিগতই হোক ) সাফল্য অর্জনকে আরো বেশী সম্ভাবনাময় করে তুলতে পারে। এই সমস্ত কর্ম ব্যক্তিত্ব গঠনে বা যে কোন জীবন পরীক্ষা থেকে আরম্ভ করে সমষ্টিগত কর্মে যেমন সার্বিক দেশোন্নয়নে, নেতৃত্ব প্রদানে বা বৃহৎ ব্যবসা সন্চালনেও সুসক্ষমতা ও সাফল্যময় প্রতিভার নজির রাখে।
উপরোক্ত প্রক্রিয়াটিতে ব্যক্তি তার নিজের মন ও পন্চ জ্ঞান ইন্দ্রিয় দ্বারা বহিরাগত সমস্থ তথ্য গুলোকে সংগ্রহে সুসক্ষম হয়। প্ররবর্ত্তি পর্য্যায়ে সেই অর্জিত তথ্য গুলোকে মন বুদ্ধি ও ভাষার দ্বারা ( মৌখিক এবং দৈহিক উভয় ভাষারই সমন্বয়েই )এক সুপরিকল্পনার মাধ্যমে পন্চ কর্ম ইন্দ্রিয় দ্বারা জগতের যে কোন ক্ষেত্রেই প্রয়োগ কৌশলে সুসক্ষম হয়। পরিবারের, সমাজের, দেশের সুউন্নয়নে বা জন ঐক্য গঠনে এবং জাতীয় / আন্তর্জাতিক চক্রেও আলোচিত এই বিশেষ প্রক্রিয়াটির কাজ দিনে দিনে অতি চমকপ্রদ ও জন আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে- এ ব্যাপারে আজ আর কোন সন্দেহ নেই।
সারা ব্যাপারটিকে জগতবাসীর কাছে প্রথম পরিচয়
করিয়ে দিয়েছেন বিখ্যাত মহান দুই মার্কিন ব্যক্তি মি: রিচার্ড ব্যন্ডলার ও মি: জন গ্রাইন্ডার ( ১৯৭০ )। এঁদের কেউই কিন্তু চিকিৎসক ছিলেন না।
উপোরক্ত প্রক্রিয়াকে যে মনুষ্য গুনগুলো আরো বেশী সক্রিয় করে তোলে সে গুলো হল-
মানুষের নমনীয়তা, তাঁর ইতিবাচক প্রবণতা ( গুণের ও উৎকর্ষের পরিমানে ), সততা, হঠাৎ ঘটিত মুহুর্তে আগত প্রতিবেদনশীলতার বৈশিষ্ঠ, সহনশীলতা, আন্তরিকতা, অমায়িকতা, সহানুভূতি সহায়ক মনোভাবাপন্নতা, অধ্যাবসায়, আত্মবিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা ( তা সেটি পরিমান ভিত্তিকই হোক বা গুণের উৎকর্ষতা ভিত্তিকই হোক না কেন )।
চেতনা এবং আচরণ সহজাত মনোন্নয়ন ব্যবস্থাপনা
COGNITION & BEHAVIOUR THERAPY ( CBT )

এই পদ্ধতিতে মুখ্যভাবে মনোরোগাক্রান্ত মানুষের ও গৌনভাবে পারিপার্শিক অন্যান্য মানুষের চৈতন্য প্রবণতা হইতে আগত মানসিক চিন্তাধারা ও তাহা হইতে উদজাত মানসিক অনুভূতি ও তৎপরের আচরনবিধি যা পুন: পুন: ভাবে, ধীরে ধীরে চক্রাকারে আনে মনোন্নয়ন ক্ষমতা এবং মনোরোগাক্রান্ত মানুষগুলোতে নিয়ে আসে রোগ নিরাময় প্রবণতার এক স্ববিশেষ লক্ষ্যণ এর জন্য যা দায়ী তা শুধু মানুষের ইতিবাচক গুণ মাত্রা নয় বরং দায়ী রোগ নিরাময়ের স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রবণতা, সময়ের করিষ্মা ও মনরুগীদের ঘিরে ব্যস্ত থাকা সব মনুষ্য সাধারনের অসীম ধৈর্য্য ও বিশ্বাষ। এই মনুষ্য সাধারণের মধ্যে আছে মনোরোগাক্রান্তদের এবং সেবাকারীদেরও ভীষন অনুদান যা কোন ক্রমেই অবজ্ঞা করা যায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *